নিচের ছকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
| কৃত্রিম উপগ্রহ | কাজ |
P Q R S | মোবাইলে কথা বলা ফসলে পোকামাকড় আক্রমণের ছবি সংগ্রহ ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস প্রদান মহাকাশ সম্পর্কিত জ্ঞান |
অধিকাংশ বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবী থেকে ১৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় বায়ুমণ্ডলের শেষ এবং মহাকাশের শুরু। অতীতে মহাকাশের কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই বলে ধরে নেওয়া হতো এবং যত দূর পর্যন্ত সবচেয়ে দূরের বস্তুটি দেখতে পাওয়া যায়, সে পর্যন্তই মহাকাশ বিস্তৃত এবং মহাকাশ বক্রাকৃতির বলে ধারণা করা হতো। কিন্তু পরবর্তীতে দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কারের পর দৃষ্টিসীমার বাইরের অনেক গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু ও গ্যালাক্সি দেখতে পাওয়া যায়। যার ফলে বুঝা যায়, প্রকৃতপক্ষে মহাকাশের কোনো শেষ নেই। তাই বলা যায়, মহাকাশের শুরু আছে, শেষ নেই।
দিনের বেলা আকাশের দিকে তাকালে আমরা সূর্যকে দেখতে পাই। রাতের মেঘমুক্ত আকাশ আমাদের বিস্মিত করে। রাতের আকাশে থাকে চাঁদ ও মিটমিট করে জ্বলা অসংখ্য তারা। এদের সৌন্দর্য আমাদের মুখ করে। আমাদের মাথার উপর রয়েছে অনন্ন আকাশ, সীমাহীন ফাঁকা জায়গা বা মহাকাশ। সূর্য, চাঁদ, গ্রহ, ভারা, মহাকাশ, হায়াগব, গ্যালাক্সি ইত্যাদি দেখা না দেখা সবকিছুকে নিয়ে মহাবিশ্ব। মহাবিশ্বের সকল কিছুকে বলা হয় নভোমণ্ডলীয় কস্তু। এই অধ্যারে আমরা মহাবিশ্ব নিম্নে আলোচনা করব।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• মহাকাশ এবং মহাবিশ্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
• প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যাখ্যা করতে পারব;
• উপগ্রহের কক্ষপথে চলার গতি ব্যাখ্যা করতে পারব;
• কৃত্রিম উপগ্রহের ব্যবহার ও গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারব;
• কৃত্রিম উপগ্রহের অবদান উপলব্ধি করতে পারব।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?